
কাজী দেলোয়ার হোসেন স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকার সাভার উপজেলার ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মো. মতিউর রহমান ভূঁইয়া। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠিত করেন হাজী হমিদ ভূঁইয়া রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এবং হাজী সায়রা খাতুন মডেল মাদ্রাসা। শুধু তাই নয় কোনো পরিবার খাদ্যসংকটে আছে কি না, তা জানতে অনেক সময় গভীর রাতেও মানুষের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতেন। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি অসহায় মানুষের বিপদে আর্থিক ও শ্রম দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলেও জানান তারা।
এলাকাবাসীর আরও দাবি, কোনো ব্যক্তি বিপদে পড়েছেন—এমন খবর পেলেই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার জন্য দ্রুত সেখানে উপস্থিত হন তিনি। এ কারণে স্থানীয়দের একটি অংশের কাছে তিনি দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
সম্ভাব্য ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী মো. মতিউর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “আমার এ জীবন মানুষের সেবায় কাটিয়ে দিয়েছি। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন মানুষের পাশে থাকতে চাই। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে শুধু একজন মেম্বার হিসেবে নয়, জনগণের সেবক হিসেবে তাদের খেদমতে নিয়োজিত থাকব।”
এলাকাবাসী বলেন, মতিউর রহমান ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা রয়েছে তাদের।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, “মতিউর রহমান ভূঁইয়া মেম্বার হলে আমরা তাকে শুধু জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, পরিবারের একজন সদস্য হিসেবেই দেখতে চাই। পরিবারের কেউ বিপদে পড়লে যেমন পাশে থাকার মানুষ প্রয়োজন, তেমনি এলাকার মানুষের বিপদেও তাকে পাশে পাওয়া যাবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
তবে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত জনগণের ভোটই নির্ধারণ করবে ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি হিসেবে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন। আর সেই দৌড়ে মতিউর রহমান ভূঁইয়ার দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।